Rules and Regulation

Rules and Regulation

শিক্ষার্থীর জ্ঞাতার্থে ১। স্কুল কর্তৃক র্নির্ধারিত সঠিক ইউনিফর্ম পরিধান করতে হবে। ২। সময় মত বেতন, পরীক্ষার ফি এবং অন্যান্য ফি পরিশোধ করতে হবে। ৩। শ্রেণিকক্ষে শ্রেণির কাজ ও বাড়ির কাজের জন্য কলেজ মনোগ্রাম সংস্বলিত খাতা ব্যবহার বাধ্যতামূলক। ৪। নিম্নে বর্ণিত বিষয়গুলো ছাত্র-ছাত্রীর অসদাচরণ বা শৃঙ্খলা ভঙ্গ কাজ বলে বিবেচিত হবে। ক। পরীক্ষায়/ক্লাসে অসদুপায় অবলম্বন করা। খ। শিক্ষক-শিক্ষিকা বা সহপাঠীদের প্রতি অশোভন মন্তব্য, উক্তি বা ইঙ্গিত করা। গ। বিদ্যালয়ের বেঞ্চে বা দেয়ালে বা টয়লেটে লেখা। ঘ। প্রতিষ্ঠানের কোন সম্পদের ক্ষতি করা (ক্ষতি করলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।) ঙ। স্কুল পালানো, ক্লাস ফাঁকি দেওয়া, টিফিন পিরিয়ড ছাড়া অন্য সময় ক্যান্টিনে যাওয়া। চ। শিক্ষক-শিক্ষিকার আদেশ/উপদেশ অমান্য করা। ছ। স্কুল থেকে অভিভাবকের উদ্দেশ্যে দেওয়া কোন চিঠি অভিভাবকের নিকট পৌঁছে না দেওয়া। জ। যে কোন অন্যায়, নীতিহীন বা অশোভন কাজ করা। ঝ। কোন প্রকার অলংকার পরে কলেজে আসা। ঞ। শিক্ষক-শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষ ত্যাগের পর বারান্দায় দাঁড়ানো বা ক্লাসে হৈ-চৈ করা। ট। কোন ছাত্র-ছাত্রী মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী আনা (আনলে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে।) ঠ। ডায়েরীর কোন পৃষ্ঠা ছিড়ে ফেলা বা তথ্য পরিবর্তন করা বা গোপন করা। ড। ছাত্রদের চুল বড় রাখা এবং মেয়েদের দুই বেনী না করা। ৬। ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রীদের লাইব্রেরী থেকে কার্ডের মাধ্যমে বই ইস্যু

করা হয়। এ জন্য একটি স্ট্যাম্প সাইজের ছবিসহ লাইব্রেরী হতে কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। অন্যান্য নিয়মাবলি সুন্দর পরিবেশ পাঠদানের প্রধান শর্ত। পরিবেশ সুন্দর রাখার জন্য কলেজ নিন্মক্ত নিয়মাবলী অনুসরণ করে। ১। প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে স্কুল নির্ধারিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পোষাকে কলেজে আসতে হবে। ২। নখ ছোট ও পরিস্কার রাখতে হবে, চুল (ছেলেদের জন্য) ছোট করে কাটতে হবে। ৩। ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য চুল পরিপাটিরূপে আঁচড়িয়ে আসতে হবে। মেয়েদের চুল নিজ হাউস রঙ্গের ফিতা দিয়ে দুই বেনী অথবা দুটি ঝুটি বেঁধে আসতে হবে। ৪। ছাত্র/ছাত্রীদেরকে (যারা শ্রেণি কক্ষে টিফিন খায়) অবশ্যই রুমাল আনতে হবে। ৫। শ্রেণি কক্ষে, করিডোরে ও কলেজ আঙ্গিনায় ছেঁড়া কাগজ/ফলের খোসা/উচ্ছিষ্ট ইত্যাদি ফেলা নিষেধ। ৬। ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত ছাত্র/ছাত্রীদের রোগ নিরাময় না হওয়া পর্যন্ত স্কুলে আসা নিষেধ। অনুরূপ কারণে শ্রেণি শিক্ষক/শিক্ষিকার নিকট রোগজনিত কারণে অনুপস্থিতির আবেদন করতে হবে। ৭। উপযুক্ত কারণ ব্যতীত কলেজে অনুপস্থিত থাকা বাঞ্চনীয় নয়। অনুপস্থিতির কারণ দেখিয়ে অভিভাবকের দরখাস্ত শ্রেণি শিক্ষক/শিক্ষিকার কাছে জমা না দিলে ক্লাস করার অনুমতি দেয়া হবে না। ৮। কলেজ নির্ধারিত পোষাক ছাড়া কোন ছাত্র/ছাত্রীকেই ক্লাস করতে দেয়া হয় না। কোন যথার্থ কারণে নির্ধারিত পোষাকে আসা সম্ভব না হলে ছাত্র-ছাত্রীকে অবশ্যই অভিভাবকের নিকট থেকে কারণ দেখিয়ে পত্র আনতে হবে, অন্যথায় ক্লাস করতে দেয়া হবে না। অভিভাবকের জ্ঞাতার্থে ১। আপনিই আপনার সন্তান-সন্ততির উপযুক্ত শিক্ষক। ২। আপনার পূর্ণ সহযোগিতার মাধ্যমেই স্কুল আপনার সন্তান-সন্ততির সাফল্য ও উন্নতির নিশ্চয়তা দিতে পারে। এই ডায়েরি আপনাকে কার্যকরী সহায়তার নিশ্চয়তা দিচ্ছে। ৩। প্রত্যেক দিন এই ডায়েরী আপনার সন্তানের লেখাপড়া ও কাজের তথ্য সরবরাহ করবে। ৪। আপনার প্রত্যেক দিনের তথ্য সংগ্রহের আগ্রহ তাদের লেখাপড়ায় উন্নতিতে সহায়তা করবে। ৫। ডায়েরিতে অভিভাবকের নাম, পেশা, ঠিকানা, নমুনা স্বাক্ষর নিজ হাতে পূরণ করবেন। ৬। শিক্ষার্থীর যাবতীয় বিষয় অবগত হবার জন্য নিয়মিত ডায়েরী দেখবেন এবং স্বাক্ষর করবেন। ৭। শ্রেণিতে পাঠদান চলাকালীন অবস্থায় বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বিদ্যালয়ে প্রবেশ করবেন না। ৮। ছাত্র/ছাত্রীরা সম্পূর্ণ স্কুল ইউনিফর্মসহ নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে স্কুলে প্রবেশ করবে। অন্যথায় স্কুলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ৯। বিদ্যালয় থেকে সাক্ষাতের জন্য চিঠি পেলে যথাসময়ে সাক্ষাৎ করবেন। বিষয়টি অতীব জরুরী। ১০। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী এক শিক্ষাবর্ষে ৩টি পরীক্ষা। যথা ঃ (১) প্রথম সাময়িক (২) ২য় সাময়িক (৩) বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১১। কোন ছাত্র/ছাত্রী পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করলে সংশ্লিষ্ট বিষয়সহ উক্ত সাময়িকের সকল বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল করা হবে। ১২। অকৃতকার্য ছাত্র/ছাত্রীকে এবং এস.এস.সি নির্বাচনী পরীক্ষায় নির্বাচিত না হলে কোন প্রকারেই প্রমোশন দেওয়া হবে না/নির্বাচন করা হবে না। এ ব্যাপারে কোন অনুরোধ বা সুপারিশ বিবেচনা করা হবে না। ১৩। কোন ছাত্র/ছাত্রী অসুস্থতার কারণে বা অন্য কোন কারণে সারা বছর কোন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে না পারলে তার প্রমোশন কোন ভাবেই বিবেচনা করা হবে না। ১৪। প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার জন্য ৮ম শ্রেণির পরীক্ষার নীতিমালা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী হবে। তবে শ্রেণি পরীক্ষা যথারীতি হবে। ১৫। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত ও নির্ধারিত বাৎসরিক ফলাফল নীতিমালার ভিত্তিতে ছাত্র/ছাত্রীর উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ নির্ধারিত হবে। ফলাফল নীতিমালার ভিত্তিতে অনুত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীর * অথবা * প্রাপ্ত হলে কোনক্রমেই ঘোষিত ফলাফল পূর্ণবিবেচনার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে কোন অনুরোধ, সুপারিশ বা আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রেক্ষিতে শ্রেণি শিক্ষক প্রেরিত চিঠি/অঙ্গীকার নামা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার জন্য সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ রইল। ১৬। কলেজ সংক্রান্ত সকল জরুরি নোটিশ ওয়েব সাইটে এবং এসএমএস-এর মাধ্যমে প্রদান করা হয়। পরীক্ষা ১। প্রতি মাসে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি মাসে, প্রতি বিষয়ে কমপক্ষে ৩টি করে ক্লাসটেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। ২। বিভিন্ন মেয়াদী পরীক্ষার ছাপানো প্রোগ্রাম প্রতি ছাত্র-ছাত্রীকে সরবরাহ করা হয়। প্রোগ্রামে কোন পরিবর্তন হলে নোটিসের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের জানিয়ে দেয়া হয়। ৩। প্রতিটি শ্রেণিতে মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকারীকে বিশেষ ভাতা প্রদান করা হবে। ৪। চূড়ান্ত ফলাফলে বা বাৎসরিক পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে কৃতকার্য না হলে পরবর্তী শ্রেণিতে প্রমোশন দেয়া হয় না। ৫। কোন পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে না দিতে পারলে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে শিক্ষকের মাধ্যমে অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করতে হবে। কিন্তু বার্ষিক পরীক্ষায় কোন কারণে কোন পরীক্ষা না দিলে কোন পরীক্ষা দেবার কোন সুযোগ থাকবে না। ৬। বিভিন্ন মেয়াদী পরীক্ষা, ক্লাস টেস্ট ও বার্ষিক পরীক্ষার খাতা কলেজ কর্তৃক সরবরাহ করা হয়। ৭। বার্ষিক পরীক্ষার খাতা নির্দিষ্ট তারিখে ছাত্র-ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষে দেখানো হয় এবং প্রতি মেয়াদে অন্তে রিপোর্ট কার্ড পাঠানো হয় এবং অভিভাবকদের স্বাক্ষরের পর ফেরত নেয়া হয়। ৮। এছাড়া স্কুল কমিটির মিটিং এর সিন্ধান্তের ভিত্তিতে কিছু সংশোধনী থাকলে তা যথা সময়ে জানানো হবে। বেতন পরিশোধের নিয়ম ১। প্রতি মাসের বেতন, পরীক্ষা ফি সহ অন্যান্য ফি অভিভাবক নিজে এসে বিদ্যালয়ে পরিশোধ করতে হবে। ২। প্রতি মাসের ০১ হতে ১৫ তারিখের মধ্যে জরিমানা ব্যতিত। ৩। প্রতি মাসের ১৬ হতে ২০ তারিখ পর্যন্ত ১০.০০ টাকা জরিমানাসহ। ৪। প্রতি মাসের ২১ হতে ২৫ তারিখ পর্যন্ত ২০.০০ টাকা জরিমানাসহ। ৫। প্রতি মাসের ২৬ হতে ৩০ তারিখ পর্যন্ত ৩০.০০ টাকা জরিমানাসহ। ৬। এক মাস বেতন পরিশোধ না করলে পরবর্তী মাসে ৫০.০০ টাকা জরিমানাসহ দিতে হবে। ৭। দুই মাস বেতন বাকি থাকলে এক মাসের সমপরিমাণ অর্থ পুন:ভর্তি ফি হিসেবে দিতে হবে। অন্যথায় নাম কাটা যাবে। ৮। প্রতি মাসের শেষ কার্য দিবসে বেতন/ফি নেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ৯। জরিমানার পরিমান নির্ধারিত সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষার্থীর হিসাবে যোগ হবে।